মো: অলি উল্লাহ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি :
রমজান মাস শুরু হলেও সিরাজগঞ্জে এখনো ঈদের পোশাক তৈরিকে ঘিরে দর্জির দোকানগুলোতে তেমন ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। সামনে ঈদুল ফিতর হলেও আগের বছরের মতো পোশাক তৈরিতে গ্রাহকদের তাড়াহুড়ো নেই বলে জানিয়েছেন দর্জিরা।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারী)জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ দর্জির দোকানেই কাজের চাপ তুলনামূলক কম। অনেক দোকানে এখনো নতুন অর্ডার নেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণত ঈদের এক মাস আগেই বন্ধ হয়ে যায়।
দামেও কিছুটা পার্থক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দর্জিরা জানান, ছেলেদের একটি প্যান্ট তৈরি করতে মজুরি নেওয়া হচ্ছে ৪৫০ টাকা। শার্ট তৈরিতে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাঞ্জাবিতে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং পায়জামায় ৩০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।
মেয়েদের পোশাক তৈরির ক্ষেত্রে মজুরি আরও বেশি। একটি থ্রি-পিস তৈরি করতে নেওয়া হচ্ছে ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা পর্যন্ত। গ্রাউন তৈরিতে মজুরি ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা, ব্লাউজে ৩০০ থেকে ৭০০ টাকা, লেহেঙ্গায় ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা এবং হিজাব তৈরিতে ২০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। বোরকা তৈরিতে মজুরি রাখা হচ্ছে ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা।
একজন ক্রেতা বলেন,
“সাধারণত ঈদের শেষ সময়ে দর্জিরা কাজ নিতে চান না। নিলেও তাড়াহুড়ো করে তৈরি করেন, এতে কাজের মান ভালো হয় না। কিন্তু এবার এসে সেই ভিড় বা চাপ কিছুই দেখছি না।”
একজন দর্জি বলেন,
“আগে এই সময় আমাদের অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিতে হতো। কিন্তু এবার কাজের চাপ কম, তাই এখনো অর্ডার নিচ্ছি।”
দর্জিদের ধারণা, ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, ততই অর্ডারের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।


















