মাহবুবুল হক খান, দিনাজপুর প্রতিনিধি :
দিনাজপুরে গত ৯ মাস ১১ দিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৭২১ রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪৭ জন। তবে ৭২১ রোগীর সবাই ঢাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দিনাজপুরে এসেছেন বলে হাসপাতাল ও রোগীদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
দিনাজপুর সিভিল সার্জন অফিস ও দিমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত দিনাজপুর জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ৭২১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ৬৭২ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরেছেন। আর বর্তমানে ৪৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আক্রান্তদের সবাই ঢাকা ফেরত। দিনাজপুরে কেউ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হননি।

রবিবার (১১ অক্টোবর ২০২৬) সন্ধ্যা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম রসুল রাখি ও দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের পরিচালক ডা. মো. জাহাঙ্গীর কবির।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী ১ থেকে ১১ অক্টোবর বিকেল ৫ পর্যন্ত দিনাজপুরে মোট ৭২১ ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসার জন্য হাসাপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসাপাতালে ৪৭ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। যার মধ্যে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ২১ জন, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসাপাতালে ৪ জন, বিরলে একজন, কাহারোলে ২ জন,
বোচাগঞ্জে একজন,
বীরগঞ্জে একজন, চিরিরবন্দরে একজন, পার্বতীপুরে ২ জন, ফুলবাড়িতে একজন, নবাবগঞ্জের ৩ জন, হাকিমপুরে ৫ জন ও
ঘোড়াঘাটে ৪ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দিনাজপুর জেলায় এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। ৬ অক্টোবর নবাবগঞ্জ উপজেলার ছোট হাতিশাল গ্রামের হারুণ (৪৮) ও গত ২১ জুলাই সদর উপজেলার গুড়গোলা এলাকার নুঝুম (১৯) নামে একজন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের পরিচালক ডা. মো. জাহাঙ্গীর কবির বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম রসুল রাখি বলেন, দিনাজপুরে ডেঙ্গুর প্রকোপ নেই। যেসব ডেঙ্গু রোগী দিনাজপুরের বিভিন্ন হাসাপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন তারা সবাই ঢাকায় আক্রান্ত হয়েছেন। পরে স্বজনদের কাছে ফিরে এসে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।


















