মো সিয়াম হোসেন শামিম জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুরঃ
-দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার তারগাও ইউনিয়নের মল্লিকপুর গ্রামের দুই কন্যা ট্রেডার্স ধরণীকান্ত রায় এর দোকানে।
-১৬-২০২৬-ইং দিবাগত রাত-২-ঘটিকায় যোগসাজশে একটি ছুরি ঘটনা ঘটে।
-এ সময় সংবদ্ধ ভাবে ভ্যান নিয়ে তিনজন চোর চুরি করতে এসে দোকানের ক্যাশে থাকা আনুমানিক-৪৫ হাজার টাকা এবং মালামাল নিয়ে ভ্যান নিয়ে দুই চোর পালিয়ে যায়। এসময় জানা জানি হলে স্থানীয়রা চোরকে ধাওয়া দিয়ে একজন চোরকে আটক করে গণপিটুনি দিয়েছে জনতা।
-উক্ত চোরের পরিচয় অজ্ঞাত। পরবর্তী ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা চোরের চিকিৎসার জন্য সকাল সাতটায় ভুক্তভোগী দোকান মালিক উপায় অন্ত না পেয়ে। চিকিৎসার জন্য কাহারোল হাসপাতালে চোরকে নিয়ে আসলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ভর্তি না নিয়ে কর্মরত চিকিৎসক তাকে।
-দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে চোরের গুরুতর অবস্থা চিকিৎসার অতি জরুরী প্রয়োজন।
-দোকান মালিক ধরণীকান্ত রায় ভুক্তভোগী জানান, আমার দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসী চোরকে গণপিটুনি দিয়েছে এবং আমার দোকানের টাকা সহ মালামাল নিয়ে দুজন চোর পালিয়ে গেছে।
-এমন অবস্থায় দোকানেই পড়েছিল গণপিটুনিতে চোর।
-আহত চোরকে নিয়ে কাহারোল হসপিটালে আমি নিজেও ভুক্তভোগী হয়েও চোরকে নিয়ে বিপদে পড়েছি পাইনা কারো সহযোগিতা চিকিৎসার দায়িত্ব নাকি আমারি।
-এদিকে এমন অবস্থায় ঘটনার সময় থেকে বৃহস্পতিবার এখন পর্যন্ত বাজে সন্ধ্যা ছয়টা চোর কে নিয়ে আমি হাসপাতালে চিন্তায় বিপদে পড়ে আছি। দোকানের ভুক্তভোগী মালিক চোরের চিকিৎসাও জরুরি।
-তিনি আরো জানান,পুলিশ প্রশাসন সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি আমাকেই চোরের চিকিৎসার জন্য চোরের পাশে থাকতে বলছে চোরের সুচিকিৎসায়। তাই বিপদে পড়ে এখনো হাসপাতালে দুশ্চিন্তায় পড়ে আছি চোরের পরিচয় এখনো অজ্ঞাত ২ চোর তো চুরি করে পালিয়ে গেছে।
-ঐ চোরের পকেট থেকে উদ্ধার পাওয়া যায় একটি আইডি কার্ডের তথ্য।
-উক্ত ঘটনায় সার্বিক সহযোগিতায় কিংবা আইনি পদক্ষেপ বা উদ্যোগে দায়িত্ব কার?এড়িয়ে যাচ্ছে সবাই চোরের চিকিৎসাও জরুরি কে কার থেকে বিপদে বেশী।
গুরুতর আহত চোর চিকিৎসা ছাড়াই এখনো কাহারোল হাসপাতালে পাশে ভুক্তভোগী।















