বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি :
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে পদত্যাগ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন ১৫ জন নেতাকর্মী। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় বীরগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।
জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন, মোঃ সামিউল ইসলাম, ইসলামী যুব আন্দোলন বীরগঞ্জ উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ ৪ নম্বর পাল্টাপুর ইউনিয়নের মনোনয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী ও আহম্মদ আলী (সাবেক ইউপি সদস্য ও একই ইউনিয়নের সহ-সভাপতি এবং মোঃ নাসির উদ্দীন ৪ নং পাল্টাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক।
এ ছাড়া আরও ছিলেন মোঃ আসাদ আলী, মানিক ইসলাম, সোহরাব আলী, আব্দুস সালাম, আবু বক্কর সিদ্দিক, রাব্বি ইসলাম, নুর হোসেন, লাবু ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম, জনাব আলী ও নুর জামানসহ আরও অনেকে এ সময় জামায়াতে ইসলীতে যোগ দেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যে সাবেক ইউপি সদস্য আহম্মদ আলী বলেন, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ পূর্বে ১০ দলীয় জোটে থাকার অবস্থান নিলেও পরবর্তীতে সেখান থেকে সরে আসে। এতে আমরা রাজনৈতিকভাবে হতাশ হই। অপরদিকে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, আদর্শিক দৃঢ়তা ও নেতৃবৃন্দের আচরণ আমাদের আকৃষ্ট করেছে। সে কারণেই স্বেচ্ছায় ও সজ্ঞানে আমরা এই দলে যোগ দিয়েছি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব মতিউর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা জামায়াতে ইসলামের কর্মপরিষদ সদস্য ও দিনাজপুর-১ আসনের পরিচালক আলহাজ্ব রবিউল ইসলাম এবং বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দিনাজপুর জেলা সভাপতি ও জামায়াত মনোনীত কাহারোল উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জাকিরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা জামায়াতে ইসলামের মজলিসে শুরা সদস্য ও বীরগঞ্জ উপজেলা শাখার আমির ক্বারী আজিজুর রহমান, কাহারোল উপজেলা শাখার আমির মাওলানা তরিকুল ইসলাম, বীরগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি মঞ্জুরুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা কে. এম. দেলোয়ার হোসেনসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব মতিউর রহমান বলেন, বাংলার জমিনে দ্বীন প্রতিষ্ঠা এবং কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে আমরা রাজনীতি করছি। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে মানুষ ফ্যাসিবাদের শিকার হয়েছে। জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটেছে।
তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচন হবে জনগণের প্রত্যাশার নির্বাচন। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি জানাই। নির্বাচিত হলে বীরগঞ্জ-কাহারোলকে তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের একটি মডেল এলাকা হিসেবে গড়ে তুলব।


















